৩২৩ ৫০৬ ধারা কি

৩২৩ ৫০৬ ধারা কি, জামিন যোগ্য কিনা, এই ধারায় অপরাধের শাস্তি কি ?

আমাদের দেশে যে ধারা গুলোয় মামলা হয় তার মধ্যে সবচাইতে পরিচিত হল ৩২৩ ৫০৬ ধারা। অনেকেই জানেন না ৩২৩ ৫০৬ ধারা প্রকৃতপক্ষে কি। আজকে আমরা উক্ত ধারাগুলো সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করব।

৩২৩ ৫০৬ ধারা কিঃ

৩২৩ ৫০৬ ধারা বাংলাদেশ দন্ডবিধি আইনের একটি অংশ। কোন ব্যক্তিকে স্বেচ্ছাকৃত ভাবে আঘাতের জন্য দন্ডবিধি ৩২৩ ধারা মারধরের হুমকি প্রদানের জন্য দন্ডবিধি ৫০৬ ধারায় মামলা হয়।

৩২৩ ধারায় অপরাধঃ

দন্ডবিধি আইনের ৩২৩ ধারায় বলা হয়েছে যদি কোন ব্যাক্তি অন্য কোন ব্যক্তিকে আক্রমণ করে স্বেচ্ছাকৃতভাবে আঘাত করে তাহলে অপরাধ হবে। দন্ডবিধি ৩২৩ ধারায় মামলা হবে। সাধারণত কিল ভুষি দিয়ে লিলাফুলা জখমের ক্ষেত্রে ধারায় অপরাধ হয়।

জামিন যোগ্য কিনাঃ

জামিন যোগ্য অপরাধ।

দন্ডবিধি ৩২৩ ধারায় অপরাধের শাস্তিঃ

দন্ডবিধি ৩২৩ ধারায় মামলার অপরাধ প্রমাণিত হলে যে কোন মেয়াদের কারাদন্ড যার মেয়াদ সর্বোচ্চ বৎসর হতে পারে অথবা হাজার টাকা জরিমানা কিংবা উভয় দন্ড হতে পারে।

দন্ডবিধি ৫০৬ ধারায় অপরাধঃ

যদি কোন ব্যাক্তি অপরাধমূলক ভয়ভীতি প্রদর্শন (মারধরের হুমকি) করে তাহলে দন্ডবিধি আইনের ৫০৬ ধারায় হবে এবং উক্ত ধারায় মামলা হবে।

জামিন যোগ্য কিনাঃ

জামিন যোগ্য অপরাধ।

দন্ডবিধি ৫০৬ ধারায় অপরাধের শাস্তিঃ

দন্ডবিধি ৫০৬ ধারায় মামলা হলে যে কোন মেয়াদের কারাদন্ড যার মেয়াদ বৎসর পর্যন্ত হতে পারে অথবা জরিমানা দন্ড কিংবা উভয়দন্ড হতে পারে।

নোটঃ দন্ডবিধি আইনের ৩২৩ ৫০৬ ধারা কি সে বিষয়ে না জানার কারণে অনেকে খুবই চিন্তায় পড়ে যান। প্রকৃতপক্ষে ধারাগুলো অধর্তব্য জামিন যোগ্য অপরাধ। অনেক সময় বিভিন্ন ধারায় মামলা হলে এই ধারায় চার্জশিট দেওয়া হয় আবার অনেক ক্ষেত্রে শুধু মাত্র  ৩২৩ ৫০৬ ধারায় ননএফআইআর মামলা রুজু হয়। এই ধারায় মামলা হলে পুলিশ অফিসার পরোয়ানা ব্যতীত গ্রেফতার করতে পারে না। ৩২৩ ৫০৬ ধারা অধর্তব্য জামিন যোগ্য হলেও এর শাস্তির বিধান কম নয়। তাছাড়া আদালতের নির্দিষ্ট দিন তারিখে নিয়মিত হাজির না হলে গ্রেফতারি পরোয়ানা ইস্যূ হতে পারে।


Comment As:

Comment (0)