স্বাস্থ্য ভালো রাখার উপায়_3

স্বাস্থ্য ভালো রাখার সেরা ০৫ টি উপায়।

সু স্বাস্থ্যের গুরুত্ব যারা সুস্থ রয়েছেন তা হয়তো অনুভব করতে পারেন না। কিন্তু যারা অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে কিংবা বিভিন্ন দীর্ঘদিন শারীরিক জটিলতায় ভুগছেন তারা স্বাস্থ্য ভালো রাখার প্রয়োজনীতা অনুভব করছেন। আপনি যদি কোন হাসপাতালে যান তাহলে বিভিন্ন ধরনের অসুস্থ মানুষ দেখতে পারবেন এবং কিছুটা হলেও সু স্বাস্থ্যের প্রয়োজনীতা বুঝতে পারবেন। আজকে আপনার স্বাস্থ্য ভালো রাখার সেরা ০৫ টি উপায় সম্পর্কে জানতে পারবেন। যার ফলে আপনি থাকবেন রোগমুক্ত মানসিক চাপমুক্ত একটি তথ্য জেনে রাখা ভালো যে সু স্বাস্থ্যের জন্য কতগুলো নিয়ম অনুসরণ করলে ৭০%-৮০% রোগ থেকে মুক্ত থাকা সম্ভব।

০১। সকালে ঘুম হতে উঠাঃ

সকালে ঘুম হইতে উঠার প্রয়োজনীতা বলে শেষ করা যাবে না। পৃথিবীতে প্রচুর ব্যাক্তি রয়েছে যারা প্রতিদিন সকালে ঘুম হতে উঠেন। সকাল বেলা ঘুম থেকে উঠার যে মানসিক প্রশান্তি তা আর কোথাও পাবেন না। সকালে ঘুম থেকে উঠে প্রকৃতির নির্মল পরিবেশ আপনার সু স্বাস্থ্যে বজায় রাখার জন্য বিশেষ ভূমিকা রাখবে।

০২। প্রচুর পানি পান করাঃ

আমাদের শরীরের জন্য প্রতিদিন / লিটার পানি পান করা প্রয়োজন কিন্তু আমরা প্রতিদিন সে পরিমাণ পানি পান করি না। যার কারণে আমাদের শরীরে হৃদরোগ, কোষ্ঠকাঠিন্য ফুসফুসের সমস্যা সহজেই দেখা দেয়। তাই বিভিন্ন রোগ থেকে দূরে রাখা নিজেকে পানিশূন্যতার হাত থেকে রক্ষার জন্য প্রতিদিন প্রচুর পানি পান করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

০৩। নিয়মিত ব্যায়াম করাঃ

কোন যন্ত্রকে যদি আপনি ব্যবহার না করেন তাহলে তাড়াতাড়ি নষ্ট হয়ে যাবে। আমাদের শরীরও সে রকম ব্যবহার না করা হলে বিভিন্ন ধরনের রোগ জীবাণু বাসা বাধবে, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যাবে। আজকে পৃথিবীতে বিভিন্ন ধরনের রোগের অন্যতম প্রধান কারণ শারীরিক ব্যয়াম না করা। একটা প্রবাদ রয়েছে "আপনি যদি ব্যয়াম না করার জন্য সময় ব্যয় না করেন তাহলে আপনাকে চিকিৎসার জন্য সময় ব্যয় করতে হবে। তাই প্রতিদিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট শারীরিক কসরত করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

০৪। প্রতিদিন মেডিটেশন করাঃ

আজকের আধুনিক সমাজে মানসিক সমস্যা খুবই ভয়ের কারণ হয়ে দাড়িয়েছে। শারীরিক সমস্যার পাশাপাশি প্রচুর মানসিক সমস্যার রোগী রয়েছে। আর মানসিক সমস্যা দূরীকরণে মেডিটেশন বা ধ্যান করার প্রয়োজনীতা অনস্বীকার্য। আপনি যদি মানসিক চাপ, বিষন্নতা, হীনমন্যতা, সংকীর্ণতা দূর করতে চান তাহলে জরুরি ভিত্তিতে মেডিটেশন করা শুরু করেন। প্রতিদিন ১৫-২০ মিনিট মেডিটেশন বা ধ্যান আপনার মানসিক সমস্যা সমাধানে খুবই কার্যকর ভূমিকা পালন করবে।

০৫। সব সময় হাসি খুশি থাকুনঃ

আমাদের শরীর মন একে অপরের সাথে সম্পর্কযুক্ত। শরীর ভালো থাকলেও মন ভালো না থাকলে আপনার নিশ্চয়ই ভালো লাগবে না। তাই আমাদের মনকে নিয়ন্ত্রণ করে সব সময় হাসিখুশি থাকতে হবে। আমাকের মস্তিষ্ক এমন যে দেখবেন কোন সমস্যা না থাকলে একটা না একটা চিন্তা বা সমস্যা আমাদের মস্তিষ্কের সামনে উপস্থাপন করবে। বিষয় মাথায় রেখে চলতে হবে। যুক্তি সঙ্গত চিন্তা ভাবনা ঠিক আছে। কিন্তু অযৌক্তিক চিন্তা ভাবনা আমাদের সু স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। তাই আমাদেরকে অযৌক্তিক চিন্তা ত্যাগ করে সব সময় হাসিখুশি থাকতে হবে।


Comment As:

Comment (0)