সফল যদি হতে চান

সফল যদি হতে চান, সফলতার ০৫ টি মূল মন্ত্র !

 

সূচনাঃ

আমরা প্রতিটি মানুষ জীবনে সফল হতে সুখি হতে চাই। কিন্তু  সফল সুখি হতে আমাদের কি করণীয়  বর্জনীয় তা সম্পর্কে আমাদের স্পষ্ট ধারনা নাই। এই জন্য জীবন  যুদ্ধে অনেকে হয় সফল আর অনেকে হারিয়ে যায় যদিও  সফলতা অর্জনের কোন শর্টকাট রাস্তা নাই। তবে কতগুলো বিষয়ের উপর লক্ষ্য রাখলে আমরা সহজেই সফল হতে পারি। আজকে আমরা আলোচনা করব সফল যদি হতে চান, সফলতার ০৫ টি মূল মন্ত্র  কি। নিচের কতগুলো বিষয়ের উপর লক্ষ্য রাখলে আমরা সহজেই সফল হতে পারি।

০১। ইতিবাচক চিন্তাধারাঃ

ইতিবাচক চিন্তাধারা হল সে কোন বিষয়ের ভালো দিক চিন্তা করা। কোন কাজ করার শুরুতেই আমরা  কাজের খারাপ দিকগুলো চিন্তা করি। কোন কাজ শুরু করার পূর্বেই আমরা যদি খারাপ দিকগুলো চিন্তা করি তাহলে কাজটি করার প্রতি আমাদের বিরুপ মনোভাব তৈরি হয়। বিধায় কাজটি করার বিষয়ে আমাদের আগ্রহ হারিয়ে ফেলি। যা ব্যর্থতার মূল কারণ হিসেবে ধরা হয়। অতএব কোন কাজ বা অন্যন্য বিষয় প্রথমেই আমাদের ইতিবাচক চিন্তাধারা রাখা উচিত।যা সফল যদি হতে চান, সফলতার ০৫ টি মূল মন্ত্রের মধ্যে অন্যতম।

০২। বাস্তবসম্মত প্রকল্প মানানসই পেশাঃ

কোন কাজ বা প্রকল্প করতে গিয়ে কত মানুষ যে ব্যার্থতার সম্মুখীন হয়ে দেউলিয়া হয়েছে তার শেষ নেই।  এর অন্যতম প্রধান কারণ বাস্তবসম্মত প্রকল্প বা মানানসই পেশা নির্বাচন না করার কারণে। কোন জায়গায় হয়তো একটা ব্যবসা ভালো চলছে তার মানে এই নয় আপনার এলাকায়ও   এই ব্যবসা ভালো চলবে। হতে পারে পরিবেশগত দিক, কাঠামোগত দিক দিয়ে আপনার এলাকার সাথে মানানসহ নয়।  অথবা কাজটি সম্পর্কে আপনরা নূন্যতম অভিজ্ঞতা নাই।  আরেকটি দিক হলো আপনার সাথে কাজের সাথে মানানসই পেশা। আপনি পড়াশুনা করলেন কম্পিউটার সাইন্স দিয়ে কাজ না পেয়ে শুরু করলেন সবজি চাষ তাহলে আপনি সহজেই ব্যার্থ হতে পারেন। কারণ কাজটির বিষয়ে আপনার নূন্যতম জ্ঞান নেই। আমাদের দেশে শুধু মাত্র এই একটি কারণেই ৫০% মানুষ ব্যার্থতার শিকার হয়। অতএব আমাদরকে বাস্তবসম্মত প্রকল্প মানানসই পেশার  দিকে খুবই গুরুত্ব দিতে হবে।

০৩। যোগাযোগের পরিধি বাড়ানোঃ

সত্যি বলতে কি আজকের আধুনিক পৃথিবীতে  যে সকল ব্যবসায়ী বা প্রতিষ্ঠানের যোগযোগ প্রক্রিয়া যত ভালো সে কোম্পানী বা প্রতিষ্ঠান তত বেশি সফল। আপনি যত বড় ব্যাবসায়ী বা প্রতিষ্ঠানের মালিক হন না কেন আপনার যোগাযোগ পরিধি ভালো না হলে আপনার প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন করতে পারবেন না। তাছাড়া ব্যাক্তিগত কারণে বা  প্রতিষ্ঠানের কারণে যোগাযোগ বৃদ্ধির সুযোগ কজে লাগিয়ে  অনেক বড় সমস্যা থেকে কাটিয়ে উঠতে পারবেন। অতএব ব্যাক্তিগত কারণে অথবা পেশাগত কারণে যোগাযোগের পরিধি বাড়ানো উপকারিতা অনস্বীকার্য।

০৪। লক্ষ্য স্থির অদূরদর্শিতাঃ

আপনি কোন কাজ শুরু করার পূর্বে লক্ষ্য স্থির করে নেবেন।  কারণ লক্ষ্য স্থির না রাখলে বা নিধার্রন না করলে আপনি সহজে নিচের লক্ষ্যে পৌছতে পারবেন না। তাই লক্ষ্য স্থির করা খুবই জরুরী। তাছাড়া আপনার ব্যবসা বা প্রতিষ্ঠান শুরু করার পূর্বে তার ভবিষ্যত কেমন হবে।  ০৫ বছর পর আপনার প্রতিষ্ঠানকে কোন পর্যায়ে নিয়ে যেতে চান অথবা কোন সিদ্ধান্ত নিতে গেলে অদূদর্শিতা জ্ঞান কাজে লাগাতে হবে। লক্ষ্য স্থির অদূরদর্শিতা আপনার প্রতিষ্ঠানকে এগিয়ে নেওয়ার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

০৫। দৃঢ় সংকল্পঃ

আমাদের মনে রাখতে হবে কোন কাজে সফল হতে কিংবা বড় কিছু করতে হলে শর্টকাট কোন রাস্তা নেই। ব্যবসা বা প্রতিষ্ঠান শুরু করলে তা ধরে রাখার জন্য  বা  ব্যবসা শুরু করার জন্য দৃঢ় সংকল্প থাকা অত্যন্ত জরুরী। একটা কাজ  শেষ না করেই আরেকটা শুরু করলেন তাহলে আপনে সহজেই ব্যার্থ হতে পারেন। দৃঢ় সংকল্প না থাকলে আপনি ব্যবসা শুরু কিংবা ধরে রাখতে পারবেন না। তাছাড়া যে কোন প্রতিকূল সমস্যা মোকাবেলা করার মনমানসিকতা রাখতে হবে। তবেই আপনি সফল হতে পারবেন।


Comment As:

Comment (0)